শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৬:৪০ অপরাহ্ন
মোঃ শাহীন হাওলাদারবা: বাগেরহাটের শরণখোলায় শনিবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে বিচারের দাবিতে শরণখোলা গ্রামে মানববন্ধন করেছেন শত শত নারী ও পুরুষ। গত ৩১ ডিসেম্বর রাতে জমা-জমি সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় একটি পা বিচ্ছিন্ন সহ গুরুতর জখম হয় এমাদুল হক খান। এ ঘটনায় তার ভাই রিয়াদুল ইসলাম বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে শরণখোলা থানায়।হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা মামলার আসামিদের জামিনের প্রতিবাদ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এমাদুলের মা বোন ও স্থানীয় ইউপি সদস্য সহ শত শত নারী পুরুষ মোস্তফা খান,তার জামাতা রহমান সহ জড়িতদের বিচারের দাবিতে শনিবার সকাল ১১ টায় শরণখোলা গ্রামে তাদের বাড়ির সামনে মানববন্ধন করেছেন।
জানা গেছে মামলার তিন আসামী জেলহাজতে ও দুইজন জামিনে রয়েছেন।শরণখোলা থানায় দায়েরকৃত মামলা ও মানববন্ধনে ভুক্তভোগীদের অভিযোগে জানা যায়, শরণখোলা গ্রামের এমাদুল খানের সাথে প্রতিবেশী আব্দুর রহমান হাওলাদার, সরোয়ার হাওলাদার গংদের দীর্ঘদিন যাবত জমিজমা নিয়ে মামলা মোকদ্দমা ও শত্রুতা চলে আসছিল। এরই জের ধরে গত ৩১ ডিসেম্বর রাতে আব্দুর রহমান ও সরোয়ার এবং তাদের সঙ্গীয় লোকজন এমাদুল খান কে বাড়ির সামনে রাস্তায় কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। গুরুতর জখম হওয়া এমাদুল খান বর্তমানে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে তার একটি পা কেটে ফেলা হয়েছে।এই ঘটনায় গত ১জানুয়ারি শরণখোলা থানায় পাঁচজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। প্রধান আসামি রহমান হাওলাদারসহ তিনজন বাগেরহাট জেল হাজতে রয়েছেন। এজাহার নামীয় অপর দুই আসামি হেলাল খা ও মোস্তফা খা জামিনে বাড়িতে এসে মামলার বাদী ও সাক্ষীদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।মামলার বাদী মোঃ রিয়াদুল ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, আমার ছোট ভাই এমাদুল খানকে কুপিয়ে জখম করার আসামি হেলাল খান ও মোস্তফা খান বাগেরহাট আদালত থেকে জামিনে বাড়িতে এসে মামলা তুলে আনার জন্য হুমকি দিচ্ছে এমনকি সাক্ষীদের সাক্ষী না দেওয়ার জন্য ভয় ভীতি দেখাচ্ছে।
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাচ্চু মুন্সী জানায়, মোস্তফা খান, তার ভাইয়েরা ও তার জামাই অত্যন্ত দুর্ধর্ষ প্রকৃতির লোক তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অপরাধ করার আরো অভিযোগ রয়েছে। তারা প্রতিনিয়ত ওই পরিবারটিকে হুমকি দিয়ে আসছে তাই প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন তিনি।
এ ব্যাপারে শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ এইচ,এম কামরুজ্জামান বলেন, জামিনে ছাড়া পেয়ে আসামিরা ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছে বিষয়টি তিনি জানেন না। তবে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলে তিনি জানান।